Posts

যেসব ফল ওজন কমায়

Image
যেসব ফল ওজন কমায় , How to lose Waite ১ তরমুজঃ তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। তরমুজ খিদে কমিয়ে দেওয়ার সঙ্গে মেদ জমতেও দেয় না। যেসব ফল ওজন কমায় ২ লেবুঃ লেবুতে আছে ভিটামিন সি ও সাইট্রিক অ্যাসিড যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। যেসব ফল ওজন কমায় , How to lose Waite ৩ কমলালেবুঃ কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও ফাইবার আছে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করত শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। যেসব ফল ওজন কমায় ৪ নারকেলঃ নারকেল যকৃতের বিপাক হার বাড়িয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকে ওজন। যেসব ফল ওজন কমায় ৫ কাঁচা পেয়ারাঃ পেয়ারায়  প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এটি হজম হতে অনেক সময় লাগে, ফলে তা ক্ষুধা কমায়। এছাড়া কাঁচা পেয়ারায় চিনি অনেক কম থাকে,তাই কাঁচা পেয়ারা খেলে ওজন বাড়ে না। যেসব ফল ওজন কমায় , How to lose Waite ৬ সফেদাঃ হজমে সাহায্য করে সফেদা।এছাড়া পেটের মেদ ও অতিরিক্ত ওজন কমে সহজে।

ওজন বাড়ায় যেসব খাবার

Image
ওজন বাড়ায় যেসব খাবার How to increase Waite. ১ কলাঃ সবথেকে তাড়াতাড়ি ওজন বাড়ানোর উপযোগী খাবার হল কলা। প্রতিদিনের ডায়েটে কলা রাখুন । ওজন বাড়ায় যেসব খাবার ২ চিজঃ ওজন বাড়ানোর জন্য  প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে চিজ খান। ওজন বাড়ায় যেসব খাবার How to increase Waite. ৩ চর্বি যুক্ত মাছঃ দ্রুত ওজন বাড়াতে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখুন চর্বি যুক্ত মাছ। ভালো ফলাফল পেতে মাখন ও অলিভ অয়েলে মাছ ভেজে নিন। ওজন বাড়ায় যেসব খাবার ৪ আলুঃ দ্রুত ওজন বাড়াতে রোজকার খাবারে আলু রাখতে ভুলবেন না। আলুতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন 'সি' আছে । ওজন বাড়ায় যেসব খাবার How to increase Waite. ৫ পিনাট বাটারঃ ওজন বাড়ানোর জন্য সহজ ও স্বাস্থ্যকর উপায় হল পিনাট বাটার। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে বাদাম খান। ১০০ গ্রাম বাদামে ৫০০ / ৬০০ ক্যালোরি আছে। তাছাড়া ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, ভিটামিন 'ই' এবং ফাইবার আছে। ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম খুবই উপকারি। ওজন বাড়ায় যেসব খাবার How to increase Waite. ৬ ডিমঃ ওজন বাড়াতে প্রোটিন, ভিটামিন 'ডি', স্বাস্থ্যকর কোলেস...

ওজন বাড়ায় এমন ফল

Image
ওজন বাড়ায় এমন ফল ১ আনারসঃ সুস্বাদু রসাল ও ফল আনারস। কিন্তু এই ফলে চিনির পরিমাণঅখুব বেশি যা ওজন কমানোর পথে বড় বাধা হয়ে দাড়ায়। ওজন বাড়ায় এমন ফল ২ আমঃ আমের মধ্যে চিনির পরিমাণ খুব বেশি। আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম। ওজন বাড়ায় এমন ফল ৩ জুসঃ আমরা যখন ফল থেকে রস বের করে নিই, তখন তা গিয়ে দাঁড়ায় ফাইবার ছাড়া শুধুই ফলের মধ্যে থাকা গ্লুকোজ।মানে, ফলের ফ্লেভারের চিনির রস। যার সঙ্গে মিষ্টি সোডার কোনো পার্থক্য নেই। ওজন বাড়ায় এমন ফল ৪ ড্রাই ফ্রুটসঃ ড্রাই ফ্রুটসকে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে গণ্য করা হলেও ড্রাই ফ্রুটের টাটকা ফলের তুলনায় দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। ওজন বাড়ায় এমন ফল ৫ পেঁপেঃ পেঁপেতে আছে চিনির পরিমাণ যেমন বেশি, তেমনই ফাইবার প্রায় নেই বললেই চলে। তাই এক দিকে যেমন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে, তেমনই ফাইবার না থাকায় মেটাবলিজমে সাহায্য করে না পেঁপে।

প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস

Image
প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ১ মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে কাজ করে। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা কার্যকর। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ২ জ্বর হলে খেতে মধুও খেতে পারেন। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ৩ স্ট্রোক প্রতিরোধ চা খান। অনেক সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি স্ট্রোকের। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ৪ ঠান্ডা লাগলে রসুন খেতে পারেন। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ৫ পেটের পীড়ায় খেতে পারেন কলা ও আদা। আদা বমি বমিভাব দূর করে। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ৬ পেঁয়াজ হাঁপানি রোগীদের শ্বাসনালীর সংকোচন রোধে ভূমিকা রাখে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস ৭ স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে গমজাত খাদ্য ও বাঁধাকপি কার্যকর।

ত্বক ও চুলের যত্নে কালোজিরা উপকারিতা

Image
ত্বক ও চুলের যত্নে কালোজিরা ১ চুলঃ কালোজিরার তেল চুলের কোষ ও ফলিকলকে শক্তিশালী করে যার ফলে নতুন চুল সৃষ্টি হয়।  কালোজিরার তেল চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল পড়া কমায়। ২  ত্বক উজ্জ্বল হবেঃ মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ৩০/৪০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৩  কালোজিরার তেলঃ ঔষধি গুণসম্পন্ন কালিজিরার তেল রোগের নিদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সৌন্দর্যচর্চাতেও এটি পিছিয়ে নেই। বিশেষ করে যৌবনদীপ্ত ত্বকের জন্য নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন । ৪ পুষ্টিগুণের পাশাপাশিঃ কালিজিরার তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, বি২ ও ভিটামিন সি, যা ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। ৫ শুষ্ক ত্বকেরঃ শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। এক সপ্তাহের ভিতরে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখবেন। কালোজিরার গুণের শেষ নেই।( ত্বক ও চুলের যত্নে কালোজিরা উপকারিতা )

রূপচর্চায় কলার ব্যবহার

Image
রূপচর্চায় কলার ব্যবহার ১ ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষাঃ কলায় আছে উচ্চ পটাশিয়াম যা ত্বকের আর্দ্রতা দরে রাখতে সাহায্য করে। একটি কলার অর্ধেক অংশ চটকে তা দিয়ে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করুন, এতে ত্বক নরম ও কোমনীয় হবে। অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকে কলার পাশাপাশি মধু ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ২  ব্রণ নিয়ন্ত্রণঃ কলার খোসায় আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ব্রণের উপর কলার খোসার সাদা অংশ বাদামি হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে। মুখের দাগ ও ব্রণ দূর করতে সপ্তাহে ২ এটি ব্যবহার করুন।  ৩ পায়ের যত্নেঃ ত্বকের মতো পায়ের যত্ন নিতেও কলা বেশ উপকারী ফল। কলা চটকে পায়ের মাস্ক তৈরি করে তা পায়ে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করুণ। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন, এর ফলে পা হবে নরম ও কোমল। ৪ চোখের ফোলাভাব দূর করতেঃ একটা কলার অর্ধেক চটকে নিয়ে এটি চোখের চারপাশে ব্যবহার করুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ১০/১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি চোখের ফোলাভাব দূর করতে সাহায্য করবে। ৫ চুলের যত্নেঃ চুল পড়া কমাতে কলা ও দই চটকে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি চুলে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুলের শুষ্কতা কমাতে কল...

রূপচর্চায় চন্দনের উপকারিতা অসাধারণ

Image
রূপচর্চায় চন্দনের উপকারিতা অসাধারণ ১ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেঃ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চন্দনের উপকারিতা অসাধারণ । মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য হলুদ বাটা ও চন্দনের গুঁড়ো মিশিয়ে লাগান। ২৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হবে। ২ তৈলাক্ত ত্বকঃ চন্দনের ফেস প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করে থাকে। চন্দন গুঁড়োর সাথে টমেটোর রস মিশিয়ে পেস্ট বানান। এই পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩ ত্বকের উজ্জ্বলতাঃ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চন্দনের উপকারিতা অসাধারণ । উজ্জ্বল ও মসৃণ  ত্বকের জন্য হলুদ বাটা ও চন্দনের গুঁড়ো মিশিয়ে লাগান। ২০/২৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে করলে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হবে। ৪ ত্বকের বলিরেখা দুরঃ  নিয়মিত চন্দন ব্যবহারে ত্বকে বলিরেখা কমে এবং ত্বক দীর্ঘ সময় সজীব থাকে। সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন চন্দন গুঁড়ো, গোলাপ জল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ত্বকে ব্যাবহার কর্রু। ২০/২৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। আকর্ষণীয় নজরকাড়া ত্বকের জন্য নিয়মিত চন্দন ব...

রূপচর্চা গোলাপ জলের উপকার

Image
রূপচর্চা গোলাপ জলের উপকার ১ ত্বকের আর্দ্র শুষ্কতা দূর করতেঃ ত্বকের আর্দ্র শুষ্কতা রোধ করতে, আর্দ্রতা ধরে রাখেতে এবং পুনরুজ্জীবিত করে কোমল রাখতে সাহায্য কর এটি। ২ ত্বকের ময়লা দূর করেঃ   ত্বক পরিষ্কারকরের জন্য গোলাপ জল ব্যবহার করুন। এটি ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে। ৩ ত্বক এর আর্দ্রতা দরে রাখতেঃ নিয়মিত ব্যবহার করেন এমন ক্রিমে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এটা ত্বক আর্দ্রতা দরে রাখতে সাহায্য করবে। ৪ ব্রণের সমস্যা দূর করতেঃ গোলাপ জল ব্রণের সমস্যা দূর করতে ভালো কাজ করে থাকে। সমপরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপ জল মিশান। এবার ত্বকে লাগিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহ নিয়মিত দুই দিন এই পদ্ধতি অনুসরণন করলে ত্বকের দাগ ও কালচেভাব অনেকটাই দূর হবে। ৫ গোসলের পানিতে টনিকঃ দেখবেন অনেক বিউটি পার্লারের পানিতে মধু ও গোলাপ জলের মিশ্রণ দিয়ে গোসলের ব্যবস্থা করে রাখে। সারা দেহের ত্বকে ফ্রেস ও ঝকঝকে ভাব এনে দেয় গোলাপ জল। সঙ্গে মিষ্টি গন্ধ ও থাকে। ৬ লোশনের সঙ্গে গোলাপ জলঃ ত্বকের যত্নে যে লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করেন এর সঙ্গে সামান্য পরিমাণ গোলাপ...

রূপচর্চায় লেবুর রসে উপকারিতা জেনে নিন

Image
রূপচর্চায় লেবুর রসে উপকারিতা ১ ঠোঁটের যত্নেঃ শীতে শুষ্ক ঠোঁটে চামড়া ওঠে, আপনার ঠোঁট এমন হলে লেবুই ভরসা। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার পূর্বে লেবুর রস ঠোঁটে দিয়ে ঘুমিয়ে যান। এতে আপনার অধর হবে স্ফীত, কোমল ও মসৃণ। ২ চুলের তেল চিটচিটে ভাব দূর করুনঃ চুলে তেল দিতে হয়। কিন্তু শ্যাম্পু করার পরও তাতে তেল চিটচিটে ভাব থাকতে পারে। এতে লেবুর রস বিস্ময়কার কাজ দেয়। লেবুর রসে আছে অ্যাসট্রিনজেন্ট যা তেলতেলে অংশ শুষে নেয় ও চুল হয় ঝরঝরে। ৩ বলিরেখা হালকা করে দেয় লেবুর রসঃ বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। লেবুর রস বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন পরে ধুয়ে ফেলুন। ৪ দাঁত পরিষ্কার করেঃ দাঁতের যত্নে পেস্টের চেয়েও ভালো কাজ করে লেবুর রস। অল্প পরিমাণ বেকিং সোডার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্টের মতো বানান হবে। তার পর দাঁত মেজে দেখুন কী ফল দাঁড়ায়। ৫ দুর্গন্ধ দূর করেঃ লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড আছে যা বাজে গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। তাই দুর্গন্ধের স্থানে লেবুর রস মেখে নিন। ফলে দুর্গন্ধ চলে যাবে। ৬ ব্রন এবং ব্রনের দাগঃ মুখের ব্রন...

রূপচর্চায় আলুর অসাধারণ ব্যাবহার।

Image
রূপচর্চায় আলুর অসাধারণ ব্যাবহার। ১ চোখের ফোলা ভাব দূর করতেঃ আলু চাকতি করে কেটে চোখের ওপর দিয়ে রাখুন। চোখে বেশ আরামও পাবেন । ২  ব্রুন দূর করতেঃ আলুর রস পুরো মুখে লাগান। ব্রন দাগ দূর করতে ভালো কাজ দেবে। ৩ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলঃ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে হলে আলু কেটে সেখানে লাগিয়ে রাখুন কিছু সময়। ৪ ধূসর চুলগুলো চকচকেঃ ৪/৫ আলু সেদ্ধ করুন এরপর খোসা ছাড়িয়ে ভালভাবে ঠাণ্ডা হতে দিন। শুষ্ক চুলে এগুলো ঘষতে থাকুন। ধূসর চুলগুলো চকচকে হয়ে যাবে। ৫ ত্বকের বলিরেখা দূরঃ একটি আলু ছেঁচে তাতে এক টেবিল চামচ দই দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি ত্বকের বলিরেখা দূর করবে। ৬ ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সুস্থতাঃ আস্ত একটি আলু ছেঁচে তাতে একটি লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে নিন। ফলে  ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সুস্থতা ফিরে পাবে। ৭ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলঃ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে আলু কেটে সেখানে ভালভাবে লাগিয়ে রাখুন।   ( রূপচর্চায় আলুর অসাধারণ ব্যাবহার )  

রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার

Image
 রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার ১ হলুদ ও ময়দাঃ সবরকম ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক স্ক্রাব তৈরি করতে হলুদ ও ময়দা মিশিয়ে নিতে পারেন। হলুদ ত্বকের জন্য বেশ সংবেদনশীল ও উপকারি। এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল কমায় ২ হলুদের সঙ্গে লেবুর রস ও মধুঃ হলুদের সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে মুখ এবং গলায় ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে তা ধুয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকে উজ্জ্বল ভাব বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্রণও দূর হবে। ৩ হলুদ ও জলপাইয়ের তেলঃ হলুদে নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বক তরুণ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। জলপাইয়ের তেল ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে। ৪ হলুদ ও মধু: ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা রক্ষা করে উজ্জ্বল ত্বক বৃদ্ধি  করতে হলুদ ও মধুর মিশ্রণ সাহায্য করে। ৫ কাঁচা হলুদ ও নিমপাতাঃ  ব্রনের দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা বেটে দাগের উপর লাগান। ব্রণ এর দাগ চলে যাবে। ৬ অ্যালার্জির সমস্যাঃ হলুদ মেশানো পানিতে গোসল করলে অ্যালার্জি ও র‍্যাশের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। (  রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার )

ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায়

Image
ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী কিছু উপায় ১ কমলা ঃ কমলার রস আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, তাই কমলার রস ব্যবহার করতে পারেন আপনার গলা ও ঘাড়ে। ২ অলিভ ওয়েলঃ অলিভ ওয়েল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারি। তাই আপনার গলা ও ঘাড়ের ত্বক সুন্দর রাখতে অলিভ ওয়েল ম্যাসেজ করুন। ৩ অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল গলায় ও ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন, প্রতিদিনের ব্যবহারে ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল হবে ৪ গোলাপজলঃ ঘাড় ও গলার কালো ছাপ গোলাপজল দিয়ে দূর হয়। গোলাপ জ্বল নিয়ে আপনার ঘাড় ও গলা পরিষ্কার করুন। গোলাপজলের সাথে সামান্য হলুদের গুড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন, পেস্টটি ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ৫ নারিকেল তেলঃ নারিকেল আমাদের ত্বকের পোড়া ভাবও দূর করে। নারিকেল তেল হাতে নিয়ে ঘাড় ও গলায় ম্যাসেজ করুন। ৬ শসাঃ শসা ত্বককে প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তাই আপনার ঘাড় ও গলায় শসার রস ব্যবহার করুন। ( ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায় )

আমলকির কিছু অসাধারন উপকারিতা

Image
আমলকির কিছু অসাধারন উপকারিতা ১ সকালে প্রতিদিন  আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। ফলে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ২ আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। আমলকিতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩ শরীরের কার্যক্ষমতা ও পেশী মজবুত করে, শরীর ঠাণ্ডা রাখে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে থাকে। ৪ আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় নিয়মিত ২/৩ টি করে আমলকি খেলে ভিটামিন (সি) এর অভাবজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায় এবং দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৫  প্রতিদিন সকালে মধুর সঙ্গে আমলকির রস মিশিয়ে খেলে চর্মরোগ নিরাময় হয়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় ও কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ( আমলকির কিছু অসাধারন উপকারিতা )

ত্বক ও চুলের যত্নে জলপাই

Image
ত্বক ও চুলের যত্নে জলপাই 1 কালো জলপাইয়ের তেলে আছে ফ্যাটি এসিড ও এ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের তেল চুলের গোড়ায় লাগালে চুলের গোড়া মজবুত হয়। চুল পড়া সমস্যা দূর হয়। 2 এছাড়া ত্বকের ক্যানসারের হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা রোধ করে জলপাই। 3  জলপাইয়ে ভিটামিন এ আছে। ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারি। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ঔষধের কাজ করে এটি।   জীবাণুর আক্রমণ, চোখ ওঠা, চোখের পাতায় ইনফেকশনজনিত সমস্যাগুলো দূর করে এই জলপাই। 4 বয়সের কারণে অনেকেরই হাড়ের ক্ষয় হয় । হাড়ের ক্ষয় রোধ করে জলপাইয়ের তেল । 5 জলপাইয়ে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে, যা দেহের ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে ও রোগ প্রতিরোদ ক্ষমতা  বাড়ায় দ্বিগুণ পরিমাণে। ( ত্বক ও চুলের যত্নে জলপাই )

নারকেল তেল কেন চুলের যত্নে সেরা

Image
চুলের যত্নে  নারকেল তেল 1 একটি প্রাকৃতিক প্রসাধনী হচ্ছে নারিকেল তেল যা চুলের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নারকেল তেলের জুড়ি নেই। 2 নারিকেল তেল চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। কম দামে ও সহজলভ্য চুলের কন্ডিশনার হচ্ছে নারিকেল তেল। এই তেল প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিয়ে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুলকে রক্ষা করে থাকে। নারিকেল তেল ব্যবহারে চুল তাড়াতাড়ি বড় হয়। 3 প্রাকৃতিক এই তেল শুধু চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে তা নয়, নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে করলে চুল ও ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি শরীরের অনেক অসুখও দূর হয়। 4 খাঁটি নারিকেল তেল একদম পানির কালার হয়। নারিকেল তেলের  বড় গুণ হচ্ছে এটি ঠান্ডা হলে জমে যায়।তেল খাঁটি কিনা তা বোঝার জন্য 30 মিনিট ফ্রিজে জমতে দিন, যদি পুরোপুরি জমে গিয়ে থাকে, তাহলে বুঝবেন আপনার তেল খাঁটি। 5 যদি হলুদ বা গ্রে কালারের হয়ে থাকে তাহলে বুঝবেন এতে কেমিক্যাল মেশানো আছে। এই সকল ভেজাল তেল ব্যবহার করার ফলে পড়ে  চুল। 6 এই তেলেই চুলের যাবতীয় প্রায় সব প্রব্লেমের সমাধান আছে।  চুলের আগা ফাটা, খুশকি,  চুলের গোঁড়া মজবুত করা চুলকে ময়েশ্চারাইজড করা, ইত্যাদি। ( নারকেল তেল কেন ...

অ্যালো ভেরা দিয়ে রূপচর্চা

Image
অ্যালো ভেরা দিয়ে রূপচর্চা 1 অ্যালো ভেরা’র গাছ থাকলে, সেটার পাতা কেটে জেল বের করুন। সংক্রমণ কমাতে এই জেল মুখ ও শরীরে লাগান। এটি রোদে পোড়াভাব কমায় এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। মেইকআপ তোলার কাজেও অ্যালো ভেরা ব্যবহার করা যায়। 2 পেঁপেতে ত্বকের রং হালকা করার উপাদান রয়েছে। কয়েক টুকরো অ্যালভেরা জেল এবং পেঁপে ম্যাস করে পেস্ট তৈরি করুন। এবার প্যাকটি ত্বকে ব্যবহার করুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ত্বক হবে কোমল ও মসৃণ। 4 অ্যালো ভেরা’র জেল ও লেবুর রস মিশিয়ে দাগ এমনকি যেখানে ত্বকের রংয়ের অসামঞ্জস্যতা আছে তার উপরে লাগান। ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। 5 চুলের বৃদ্ধিতে এই জেল সাহায্য করে। মাথার ও ত্বকে এই জেল ব্যবহার করে অ২৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। ( অ্যালো ভেরা দিয়ে রূপচর্চা )

মধু দিয়ে উজ্জ্বল ত্বক গড়ে তুলুন

Image
মধু দিয়ে উজ্জ্বল ত্বক গড়ে তুলুন 1 এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার।  মধু বাতাস থেকে জলীয়কণা ত্বকের ভিতরে টেনে নেয় যা ত্বকের গভীরে নমনীয়তা ধরে রাখতে সাহায্য করে। নমনীয়তা ধরে রাখতে মধু দারুণ উপকারী। 2 ১ টেবিল-চামচ পরিমাণ মধু পরিষ্কার ও শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পরে কুসুমগরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে কোমল ও মসৃণ। 3 ২ টেবিল-চামচ  নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ বিশুদ্ধ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে চোখের চারপাশের ত্বক বাদ দিয়ে মিশ্রণটি পরিষ্কার ও শুষ্ক ত্বকে হালকাভাবে হাত ঘুরিয়ে মালিশ করুন।  তারপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। 4 ত্বকের কালো দাগ দূর করতে:   ১ টেবিল-চামচ বিশুদ্ধ মধুর সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ নারকেল বা জলপাইয়ের তেল মিশিয়ে নিয়ে ত্বকের যেখানে দাগ  চিহ্ন আছে সেখানে মিশ্রণটি লাগিয়ে ১-২ মিনিট হাত দিয়ে ভাল করে মালিশ করতে হবে। তারপর ত্বকে গরম তোয়ালে চেপে ধরে রাখতে হবে ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত্র। প্রতিদিন ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। 5 ব্রণ দূর করতে   ছেলেমেয়ে থেকে শুরু করে মোটামুটি সব বয়সের মানুষের জ...

নারকেল পানির সঙ্গে শুষ্ক স্কিন Hydrate

Image
নারকেল পানির সঙ্গে শুষ্ক স্কিন Hydrate 1 আপনার সকালের শুরু হউকু একটি গ্লাস তাজা নারকেল  পানি দিয়ে। 2 এবং, সারা দিন, ফিল্টার জল পান কর্রু। 3 ত্বক-হাইড্রেটিং খাবার এর মধ্যে জলপাই এবং নারকেল অন্তর্ভুক্ত। ( নারকেল পানির সঙ্গে শুষ্ক স্কিন Hydrate )

পাকা পেপে মাস্ক দিয়ে আপনার মুখ পুনরুজ্জীবিত করুন এবং ডেড স্কিন সরান।

Image
পাকা পেপে মাস্ক দিয়ে আপনার মুখ পুনরুজ্জীবিত করুন 1 পেপেতে প্রাকৃতিক এনজাইম পেপাইন রয়েছে, এবং আনারস এনজাইম ব্রোমেলাইন ধারণ করে, যা স্বাভাবিকভাবেই চামড়াটিকে মসৃণ এবং নরম রেখে ত্বকের exfoliate করতে সাহায্য করে। 2 গায়ের রঙ ফর্সা করে পেঁপে এতে আছে ভিটামিন সি যা ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে। 3 পাকা পেঁপের নরম  অংশ হাতে নিয়ে মুখে, ঘাড়ে, হাতে এবং পায়ে মেখে নিন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । 4 ত্বকে শুকানোর জন্য  5  থেকে 15 মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন। 5 আপনার যদি সংবেদনশীল ত্বক হয়ে  থাকে তবে মুখে দেয়ার আগে আপনার হাঁতে একবার ব্যাবহার করুন। 6 আপকে শুধুমাত্র প্রতি সপ্তাহে একবার বা দুবার এই কাজ করতে হবে। (  পাকা পেপে মাস্ক দিয়ে আপনার মুখ পুনরুজ্জীবিত করুন এবং ডেড স্কিন সরান )