Posts

রূপচর্চা গোলাপ জলের উপকার

Image
রূপচর্চা গোলাপ জলের উপকার ১ ত্বকের আর্দ্র শুষ্কতা দূর করতেঃ ত্বকের আর্দ্র শুষ্কতা রোধ করতে, আর্দ্রতা ধরে রাখেতে এবং পুনরুজ্জীবিত করে কোমল রাখতে সাহায্য কর এটি। ২ ত্বকের ময়লা দূর করেঃ   ত্বক পরিষ্কারকরের জন্য গোলাপ জল ব্যবহার করুন। এটি ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে। ৩ ত্বক এর আর্দ্রতা দরে রাখতেঃ নিয়মিত ব্যবহার করেন এমন ক্রিমে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এটা ত্বক আর্দ্রতা দরে রাখতে সাহায্য করবে। ৪ ব্রণের সমস্যা দূর করতেঃ গোলাপ জল ব্রণের সমস্যা দূর করতে ভালো কাজ করে থাকে। সমপরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপ জল মিশান। এবার ত্বকে লাগিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহ নিয়মিত দুই দিন এই পদ্ধতি অনুসরণন করলে ত্বকের দাগ ও কালচেভাব অনেকটাই দূর হবে। ৫ গোসলের পানিতে টনিকঃ দেখবেন অনেক বিউটি পার্লারের পানিতে মধু ও গোলাপ জলের মিশ্রণ দিয়ে গোসলের ব্যবস্থা করে রাখে। সারা দেহের ত্বকে ফ্রেস ও ঝকঝকে ভাব এনে দেয় গোলাপ জল। সঙ্গে মিষ্টি গন্ধ ও থাকে। ৬ লোশনের সঙ্গে গোলাপ জলঃ ত্বকের যত্নে যে লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করেন এর সঙ্গে সামান্য পরিমাণ গোলাপ...

রূপচর্চায় লেবুর রসে উপকারিতা জেনে নিন

Image
রূপচর্চায় লেবুর রসে উপকারিতা ১ ঠোঁটের যত্নেঃ শীতে শুষ্ক ঠোঁটে চামড়া ওঠে, আপনার ঠোঁট এমন হলে লেবুই ভরসা। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার পূর্বে লেবুর রস ঠোঁটে দিয়ে ঘুমিয়ে যান। এতে আপনার অধর হবে স্ফীত, কোমল ও মসৃণ। ২ চুলের তেল চিটচিটে ভাব দূর করুনঃ চুলে তেল দিতে হয়। কিন্তু শ্যাম্পু করার পরও তাতে তেল চিটচিটে ভাব থাকতে পারে। এতে লেবুর রস বিস্ময়কার কাজ দেয়। লেবুর রসে আছে অ্যাসট্রিনজেন্ট যা তেলতেলে অংশ শুষে নেয় ও চুল হয় ঝরঝরে। ৩ বলিরেখা হালকা করে দেয় লেবুর রসঃ বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। লেবুর রস বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন পরে ধুয়ে ফেলুন। ৪ দাঁত পরিষ্কার করেঃ দাঁতের যত্নে পেস্টের চেয়েও ভালো কাজ করে লেবুর রস। অল্প পরিমাণ বেকিং সোডার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্টের মতো বানান হবে। তার পর দাঁত মেজে দেখুন কী ফল দাঁড়ায়। ৫ দুর্গন্ধ দূর করেঃ লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড আছে যা বাজে গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। তাই দুর্গন্ধের স্থানে লেবুর রস মেখে নিন। ফলে দুর্গন্ধ চলে যাবে। ৬ ব্রন এবং ব্রনের দাগঃ মুখের ব্রন...

রূপচর্চায় আলুর অসাধারণ ব্যাবহার।

Image
রূপচর্চায় আলুর অসাধারণ ব্যাবহার। ১ চোখের ফোলা ভাব দূর করতেঃ আলু চাকতি করে কেটে চোখের ওপর দিয়ে রাখুন। চোখে বেশ আরামও পাবেন । ২  ব্রুন দূর করতেঃ আলুর রস পুরো মুখে লাগান। ব্রন দাগ দূর করতে ভালো কাজ দেবে। ৩ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলঃ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে হলে আলু কেটে সেখানে লাগিয়ে রাখুন কিছু সময়। ৪ ধূসর চুলগুলো চকচকেঃ ৪/৫ আলু সেদ্ধ করুন এরপর খোসা ছাড়িয়ে ভালভাবে ঠাণ্ডা হতে দিন। শুষ্ক চুলে এগুলো ঘষতে থাকুন। ধূসর চুলগুলো চকচকে হয়ে যাবে। ৫ ত্বকের বলিরেখা দূরঃ একটি আলু ছেঁচে তাতে এক টেবিল চামচ দই দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি ত্বকের বলিরেখা দূর করবে। ৬ ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সুস্থতাঃ আস্ত একটি আলু ছেঁচে তাতে একটি লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে নিন। ফলে  ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সুস্থতা ফিরে পাবে। ৭ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলঃ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে আলু কেটে সেখানে ভালভাবে লাগিয়ে রাখুন।   ( রূপচর্চায় আলুর অসাধারণ ব্যাবহার )  

রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার

Image
 রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার ১ হলুদ ও ময়দাঃ সবরকম ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক স্ক্রাব তৈরি করতে হলুদ ও ময়দা মিশিয়ে নিতে পারেন। হলুদ ত্বকের জন্য বেশ সংবেদনশীল ও উপকারি। এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল কমায় ২ হলুদের সঙ্গে লেবুর রস ও মধুঃ হলুদের সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে মুখ এবং গলায় ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে তা ধুয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকে উজ্জ্বল ভাব বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্রণও দূর হবে। ৩ হলুদ ও জলপাইয়ের তেলঃ হলুদে নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বক তরুণ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। জলপাইয়ের তেল ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে। ৪ হলুদ ও মধু: ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা রক্ষা করে উজ্জ্বল ত্বক বৃদ্ধি  করতে হলুদ ও মধুর মিশ্রণ সাহায্য করে। ৫ কাঁচা হলুদ ও নিমপাতাঃ  ব্রনের দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা বেটে দাগের উপর লাগান। ব্রণ এর দাগ চলে যাবে। ৬ অ্যালার্জির সমস্যাঃ হলুদ মেশানো পানিতে গোসল করলে অ্যালার্জি ও র‍্যাশের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। (  রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার )

ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায়

Image
ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী কিছু উপায় ১ কমলা ঃ কমলার রস আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, তাই কমলার রস ব্যবহার করতে পারেন আপনার গলা ও ঘাড়ে। ২ অলিভ ওয়েলঃ অলিভ ওয়েল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারি। তাই আপনার গলা ও ঘাড়ের ত্বক সুন্দর রাখতে অলিভ ওয়েল ম্যাসেজ করুন। ৩ অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল গলায় ও ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন, প্রতিদিনের ব্যবহারে ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল হবে ৪ গোলাপজলঃ ঘাড় ও গলার কালো ছাপ গোলাপজল দিয়ে দূর হয়। গোলাপ জ্বল নিয়ে আপনার ঘাড় ও গলা পরিষ্কার করুন। গোলাপজলের সাথে সামান্য হলুদের গুড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন, পেস্টটি ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ৫ নারিকেল তেলঃ নারিকেল আমাদের ত্বকের পোড়া ভাবও দূর করে। নারিকেল তেল হাতে নিয়ে ঘাড় ও গলায় ম্যাসেজ করুন। ৬ শসাঃ শসা ত্বককে প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তাই আপনার ঘাড় ও গলায় শসার রস ব্যবহার করুন। ( ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায় )

আমলকির কিছু অসাধারন উপকারিতা

Image
আমলকির কিছু অসাধারন উপকারিতা ১ সকালে প্রতিদিন  আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। ফলে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ২ আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। আমলকিতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩ শরীরের কার্যক্ষমতা ও পেশী মজবুত করে, শরীর ঠাণ্ডা রাখে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে থাকে। ৪ আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় নিয়মিত ২/৩ টি করে আমলকি খেলে ভিটামিন (সি) এর অভাবজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায় এবং দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৫  প্রতিদিন সকালে মধুর সঙ্গে আমলকির রস মিশিয়ে খেলে চর্মরোগ নিরাময় হয়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় ও কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ( আমলকির কিছু অসাধারন উপকারিতা )

ত্বক ও চুলের যত্নে জলপাই

Image
ত্বক ও চুলের যত্নে জলপাই 1 কালো জলপাইয়ের তেলে আছে ফ্যাটি এসিড ও এ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের তেল চুলের গোড়ায় লাগালে চুলের গোড়া মজবুত হয়। চুল পড়া সমস্যা দূর হয়। 2 এছাড়া ত্বকের ক্যানসারের হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা রোধ করে জলপাই। 3  জলপাইয়ে ভিটামিন এ আছে। ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারি। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ঔষধের কাজ করে এটি।   জীবাণুর আক্রমণ, চোখ ওঠা, চোখের পাতায় ইনফেকশনজনিত সমস্যাগুলো দূর করে এই জলপাই। 4 বয়সের কারণে অনেকেরই হাড়ের ক্ষয় হয় । হাড়ের ক্ষয় রোধ করে জলপাইয়ের তেল । 5 জলপাইয়ে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে, যা দেহের ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে ও রোগ প্রতিরোদ ক্ষমতা  বাড়ায় দ্বিগুণ পরিমাণে। ( ত্বক ও চুলের যত্নে জলপাই )